গুলিয়াখালী সৈকত
চট্টগ্রাম · চট্টগ্রাম বিভাগ
- জেলাচট্টগ্রাম
- বিভাগচট্টগ্রাম বিভাগ
- ধরনসী বীচ
- ভ্রমণের সেরা সময়শীত, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত
বিবরণ
গুলিয়াখালী সৈকত (যা স্থানীয়ভাবে 'মুরাদপুর সৈকত' নামেও পরিচিত) চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলায় অবস্থিত সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী ও অনন্য বৈশিষ্ট্যের একটি প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকত। প্রথাগত বালুকাময় সৈকতগুলোর চেয়ে আলাদা এই বিচের মূল আকর্ষণ হলো এর তীর জুড়ে বিস্তৃত ঘন সবুজ ঘাসের মখমল গালিচা, যা একদম পানির সীমানা পর্যন্ত ছড়িয়ে রয়েছে। এই সবুজ মাঠের মাঝখান দিয়ে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হয়েছে অসংখ্য আঁকাবাঁকা ছোট ছোট নালা বা খাদ, জোয়ারের সময় যেগুলোতে পানি পূর্ণ হয়ে এক অপূর্ব ও নান্দনিক জলছাপের ল্যান্ডস্কেপ তৈরি করে। সৈকতের একপাশে কেওড়া ও শ্বাসমূলীয় ম্যানগ্রোভ বনের আবহ রয়েছে যা সুন্দরবনের ক্ষুদ্র রূপ মনে করিয়ে দেয় এবং অন্যপাশে দিগন্তজোড়া বঙ্গোপসাগরের জলরাশি। সবুজ মাঠ, জলাবন আর সাগরের এই অভূতপূর্ব মিতালী গুলিয়াখালীকে এক অপার্থিব সৌন্দর্য দান করেছে, যা আলোকচিত্রী এবং প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য একটি স্বর্গরাজ্য। এই সৈকতটি মূলত তার শান্ত, নিরিবিলি পরিবেশ এবং সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের সময় আকাশের জাদুকরী রঙের পরিবর্তনের জন্য সুপরিচিত। সীতাকুণ্ড বাজার থেকে মাত্র ৫ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত হওয়ায় এটি বাণিজ্যিকভাবে গড়ে ওঠা কোলাহলপূর্ণ রিসোর্টের বাইরে প্রকৃতির একদম কাছাকাছি সময় কাটানোর জন্য একটি দারুণ অফবিট গন্তব্য।
ভ্রমণের সেরা সময়
বিশেষত্ব
- সবুজ ঘাসের মখমল গালিচা, জোয়ার-ভাটার শ্বাসমূলীয় বন এবং সমুদ্রের এক দুর্লভ ও মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক মেলবন্ধন
- মাঠের মাঝখানে আঁকাবাঁকা জ্যামিতিক খাদের প্রাকৃতিক নকশা, যা জোয়ারের পানিতে পূর্ণ হয়ে অনন্য রূপ ধারণ করে
- সৈকত ঘেঁষে গড়ে ওঠা কেওড়া বনের শ্বাসমূলের আবহ যা সুন্দরবনের বন্য অনুভূতি জাগিয়ে তোলে
- বঙ্গোপসাগরের নীল দিগন্তে চমৎকার ও বাধাহীনভাবে রক্তিম সূর্যাস্ত উপভোগ করার সেরা দৃশ্যপট
- ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের একদম কাছেই সীতাকুণ্ডের পাহাড় ভ্রমণের পাশাপাশি সহজে ঘুরে আসার মতো একটি অফবিট স্পট
সতর্কতা
- ঘাসের মাঠের মাঝে ছড়িয়ে থাকা আঁকাবাঁকা নালা বা মাটির ফাটলগুলোর ব্যাপারে অত্যন্ত সতর্ক থাকুন, এগুলো পার হতে গিয়ে পা পিছলে বড় ধরনের চোট পাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
- স্থানীয় জোয়ার-ভাটার সময়ের দিকে কড়া নজর রাখুন; পূর্ণ জোয়ারের সময় সবুজ মাঠের বড় অংশ দ্রুত পানির নিচে তলিয়ে যেতে পারে।
- মাটির নিচে থাকা ম্যানগ্রোভের ধারালো শ্বাসমূল, নরম কাদা এবং তীব্র টানের কারণে এই সৈকতের পানিতে সাঁতার কাটা নিরাপদ নয়।
- বিচ এলাকায় স্থায়ী কোনো দোকানপাট বা লাইটিংয়ের ব্যবস্থা নেই, তাই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সন্ধ্যার অন্ধকার নেমে আসার আগেই মূল সড়কের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া উচিত।
ভ্রমণের আগে
খরচ ও যোগাযোগের তথ্য সময়ের সাথে পরিবর্তিত হতে পারে, তাই ভ্রমণের আগে জেনে নিন। কোনো সেবাদাতার সাথে আর্থিক লেনদেন বা অন্য কোনো বিষয়ের জন্য দৃষ্টি দায়ী থাকবে না।
আবহাওয়া
২৮°
পরিষ্কার আকাশ
অনুভূত হচ্ছে ৩২°
- আর্দ্রতা
- ৭৩%
- বাতাস
- ৬.৩ কিমি/ঘণ্টা
৭ দিনের পূর্বাভাস
- আজ
২৪°৩১°
- রবি
২৪°৩২°
- সোম
২৪°৩১°
- মঙ্গল
২২°২৮°
- বুধ
২০°২৭°
- বৃহস্পতি
২০°২৭°
- শুক্র
২২°২৯°
হালনাগাদ ৭ নভে, ৯:৩০ PM
মানচিত্র















ছবি
কাছাকাছি স্থান
সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক
চট্টগ্রাম · বন-জঙ্গল · ৬.১ কিমি
সুপ্তধারা ঝরনা
চট্টগ্রাম · পাহাড়-পর্বত · ৭.৫ কিমি
বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত
চট্টগ্রাম · সী বীচ · ৭.৭ কিমি
সহস্রধারা ঝরনা
চট্টগ্রাম · পাহাড়-পর্বত · ৮.২ কিমি
ঝরঝরি ঝর্ণা
চট্টগ্রাম · পাহাড়-পর্বত · ৮.৩ কিমি
আকিলপুর বিচ
চট্টগ্রাম · সী বীচ · ১০.৪ কিমি